সাধারণ নিয়মাবলি
General Rules & Regulations
ভূমিকা
শিক্ষা কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, দায়িত্বশীলতা ও উত্তম চরিত্র গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি আদর্শ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ, নিয়মশৃঙ্খলা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকদের নিম্নলিখিত সাধারণ নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে।
১. উপস্থিতি ও সময়ানুবর্তিতা
১.১। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে।
১.২। নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের প্রস্তুতি নিতে হবে।
১.৩। অনুমতি ছাড়া ক্লাস চলাকালীন শ্রেণিকক্ষ বা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করা যাবে না।
১.৪। অসুস্থতা বা জরুরি কারণে অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের মাধ্যমে শ্রেণিশিক্ষক বা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
১.৫। ছুটির প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
১.৬। নিয়মিত উপস্থিতি ও সময়ানুবর্তিতা শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
২. নির্ধারিত পোশাক ও পরিচ্ছন্নতা
২.১। সকল শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান করে উপস্থিত হতে হবে।
২.২। ছেলে শিক্ষার্থীদের সাদা পাঞ্জাবি, সাদা পায়জামা এবং সাদা টুপি পরিধান করতে হবে।
২.৩। শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়ে শিক্ষার্থীদের সাদা ফ্রক ও সাদা পায়জামা পরিধান করতে হবে।
২.৪। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়ে শিক্ষার্থীদের কালো বোরখা, সাদা হিজাব ও সাদা পায়জামা পরিধান করতে হবে।
২.৫। শিক্ষার্থীরা পায়ে কেডস বা স্যান্ডেল ব্যবহার করতে পারবে।
২.৬। বৃষ্টির দিনে প্রয়োজনে রেইনকোট পরিধান করা যাবে।
২.৭। ছেলে শিক্ষার্থীদের মাথার চুল ছোট ও পরিপাটি রাখতে হবে। চুলে কোনো ধরনের রং বা নকশা করা যাবে না।
২.৮। সকল শিক্ষার্থীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মার্জিতভাবে প্রতিষ্ঠানে আসতে হবে।
৩. শ্রেণিকক্ষের শৃঙ্খলা
৩.১। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীদের ভদ্রতা ও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
৩.২। পাঠদান চলাকালীন মনোযোগ সহকারে শিক্ষকের বক্তব্য শুনতে হবে।
৩.৩। শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, উচ্চস্বরে কথা বলা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।
৩.৪। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ, ডেস্ক, বোর্ড ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী যত্নসহকারে ব্যবহার করতে হবে।
৩.৫। সহপাঠীদের পড়াশোনায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
৩.৬। শ্রেণিকক্ষে শালীন ভাষা ও ভদ্র আচরণ বজায় রাখতে হবে।
৪. পাঠদান ও শিক্ষাকার্যক্রম
৪.১। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত পাঠ্যক্রম ও শ্রেণির রুটিন অনুসরণ করতে হবে।
৪.২। প্রতিদিন প্রয়োজনীয় বই, খাতা, কলম ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী সঙ্গে আনতে হবে।
৪.৩। শিক্ষকের দেওয়া বাড়ির কাজ ও শ্রেণির কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে।
৪.৪। নিয়মিত পাঠ অনুশীলন এবং পূর্ববর্তী পাঠ পুনরাবৃত্তি করতে হবে।
৪.৫। পাঠ বুঝতে অসুবিধা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সহযোগিতা নিতে হবে।
৪.৬। শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত অতিরিক্ত ক্লাস, মূল্যায়ন ও অন্যান্য শিক্ষামূলক কার্যক্রমে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে হবে।
৫. পরীক্ষা ও মূল্যায়ন
৫.১। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সকল পরীক্ষা ও মূল্যায়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে।
৫.২। পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৫.৩। পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা ও নীরবতা বজায় রাখতে হবে।
৫.৪। পরীক্ষায় নকল, অসদুপায় অবলম্বন কিংবা অন্য শিক্ষার্থীকে অনৈতিক সহযোগিতা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৫.৫। পরীক্ষার খাতা, প্রশ্নপত্র ও মূল্যায়নসংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৫.৬। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের শিক্ষাগত উন্নয়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৬. নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও আচরণবিধি
৬.১। সকল শিক্ষার্থীকে সততা, নৈতিকতা, শালীনতা ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে হবে।
৬.২। শিক্ষক, অভিভাবক, সহপাঠী এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
৬.৩। মিথ্যা বলা, অশালীন ভাষা ব্যবহার, অপমানজনক আচরণ, মারামারি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না।
৬.৪। কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিক বা মানসিকভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা বুলিং করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৬.৫। ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ চর্চা করতে হবে।
৬.৬। ব্যক্তিগত বিরোধ বা সমস্যা দেখা দিলে নিজের হাতে আইন তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
৭. মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস
৭.১। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।
৭.২। পাঠদান চলাকালীন মোবাইল ফোন, গেমিং ডিভাইস বা অন্য কোনো অননুমোদিত ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৭.৩। শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের ছবি, অডিও কিংবা ভিডিও ধারণ করা যাবে না।
৭.৪। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অপমানজনক তথ্য প্রচার করা যাবে না।
৭.৫। শিক্ষামূলক প্রয়োজনে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
৮. প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও পরিবেশ সংরক্ষণ
৮.১। প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, পাঠাগার, শিক্ষা উপকরণ ও অন্যান্য সম্পদের যত্ন নিতে হবে।
৮.২। দেয়াল, বেঞ্চ, ডেস্ক কিংবা প্রতিষ্ঠানের কোনো স্থানে লেখালেখি বা নকশা করা যাবে না।
৮.৩। প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৮.৪। শ্রেণিকক্ষ, বারান্দা, মাঠ, শৌচাগার ও প্রতিষ্ঠানের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৮.৫। নির্ধারিত স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে হবে।
৮.৬। বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সম্পদ অপচয় করা যাবে না।
৯. স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা
৯.১। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
৯.২। অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত শ্রেণিশিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জানাতে হবে।
৯.৩। প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত সকল নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
৯.৪। ধারালো অস্ত্র, বিপজ্জনক বস্তু, মাদকদ্রব্য, তামাকজাত পণ্য বা ক্ষতিকর সামগ্রী প্রতিষ্ঠানে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৯.৫। অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
৯.৬। কোনো শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতা, হয়রানি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হলে নির্ভয়ে কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবে।
১০. সহশিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম
১০.১। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হবে।
১০.২। সকল কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় রাখতে হবে।
১০.৩। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও সামাজিক দক্ষতা বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।
১০.৪। প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানের নাম বা পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অনুষ্ঠান বা কার্যক্রম আয়োজন করা যাবে না।
১১. বেতন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম
১১.১। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত বেতন ও অন্যান্য প্রযোজ্য ফি যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।
১১.২। ভর্তি, পুনঃভর্তি, নিবন্ধন, পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
১১.৩। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য, যোগাযোগের নম্বর বা অভিভাবকসংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
১১.৪। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত নোটিশ, বিজ্ঞপ্তি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
১২. অভিভাবকদের দায়িত্ব
১২.১। অভিভাবকদের সন্তানের নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনা ও আচরণের প্রতি সচেতন থাকতে হবে।
১২.২। অভিভাবক সভা ও প্রতিষ্ঠান আয়োজিত প্রয়োজনীয় মতবিনিময় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে।
১২.৩। শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত বা আচরণগত সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
১২.৪। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করতে হবে।
১২.৫। কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে যথাযথ ও সম্মানজনক উপায়ে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
১৩. শিক্ষক ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দায়িত্ব
১৩.১। প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে সময়ানুবর্তিতা, সততা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখতে হবে।
১৩.২। শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায়সংগত, সম্মানজনক ও বৈষম্যহীন আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
১৩.৩। পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
১৩.৪। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে।
১৩.৫। শিক্ষার্থীদের প্রতি শারীরিক শাস্তি, অপমানজনক আচরণ বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না।
১৩.৬। প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্য ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
১৪. নিয়মভঙ্গ ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা
১৪.১। প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলি লঙ্ঘন করলে ঘটনার গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
১৪.২। নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রথমে শিক্ষার্থীকে পরামর্শ, সতর্কীকরণ বা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে।
১৪.৩। গুরুতর বা পুনরাবৃত্তিমূলক শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় অভিভাবককে অবহিত করা হবে।
১৪.৪। কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বক্তব্য প্রদানের যুক্তিসংগত সুযোগ দিতে হবে।
১৪.৫। সকল শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা প্রযোজ্য আইন, সরকারি নির্দেশনা ও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
১৪.৬। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীর প্রতি শারীরিক শাস্তি, অমানবিক বা অপমানজনক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
১৫. সাধারণ নির্দেশনা
১৫.১। প্রতিষ্ঠানের সকল অনুমোদিত নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে চলা প্রত্যেকের দায়িত্ব।
১৫.২। প্রতিষ্ঠানের সুনাম, মর্যাদা ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
১৫.৩। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং প্রযোজ্য বিধিবিধান অনুসারে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মাবলি সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জন করতে পারবে।
১৫.৪। সংশোধিত নিয়মাবলি যথাযথভাবে নোটিশ বোর্ড, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য অনুমোদিত মাধ্যমে জানানো হবে।
বিশেষ ঘোষণা
শৃঙ্খলা, সততা, নৈতিকতা ও নিয়মিত অধ্যবসায়ই সফল শিক্ষাজীবনের ভিত্তি।
আমাদের প্রত্যাশা, প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলবে, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, সহপাঠীদের সহযোগিতা করবে এবং শিক্ষাগত উৎকর্ষ অর্জনের পাশাপাশি একজন আদর্শ ও মানবিক মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবে।
একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, পরিচ্ছন্ন এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
ধন্যবাদান্তে,
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ